বছরের পর বছর ধরে বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও নাগরিক সংগঠন হাওরের দুর্নীতির বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছে। মানববন্ধন, স্মারকলিপি, বিক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলন—সবই হয়েছে। দাবি উঠেছে দোষীদের শাস্তি, সুষ্ঠু তদন্ত, স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা এবং কৃষকদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার। কিন্তু বাস্তবতা হলো, এই আন্দোলনগুলো যেন মৌসুমি হয়ে দাঁড়িয়েছে—ফসল ডোবার পর শুরু হয়, কিছুদিন জোরালো থাকে, তারপর ধীরে ধীরে স্তিমিত হয়ে যায়।
পরের বছর আবার একই দৃশ্য। নতুন করে বরাদ্দ আসে, নতুন করে বাঁধ নির্মাণ শুরু হয়, আবারও অভিযোগ ওঠে, আবারও অনিয়মের কথা শোনা যায়। আর কৃষকরা দাঁড়িয়ে থাকেন এক অনিশ্চয়তার মধ্যে—এই বছর কি ফসল বাঁচবে, নাকি আগের মতোই পানিতে তলিয়ে যাবে?
এই চক্রের সবচেয়ে হতাশাজনক দিক হলো—সরকার পরিবর্তন হলেও বাস্তবতার তেমন পরিবর্তন হয় না। ক্ষমতায় কে আছে, সেটা বদলায়; কিন্তু হাওরের কৃষকের ভাগ্য বদলায় না। প্রতিশ্রুতি আসে, তদন্তের ঘোষণা হয়, কখনো কখনো কমিটিও গঠন করা হয়—কিন্তু সেই তদন্তের ফলাফল কতটা কার্যকর হয়, বা দোষীরা আদৌ শাস্তি পায় কি না, সে প্রশ্নের জবাব বেশিরভাগ সময়ই অজানা থেকে যায়। এমনকি হাওর দুর্নীতির একাধিক মামলাও এখনো পর্যন্ত দায়িদের বিচার নিশ্চিতে আলোরমুখ দেখেনি।
ফলে একটি বার্তা ধীরে ধীরে প্রতিষ্ঠিত হয়ে গেছে—দুর্নীতি করেও পার পাওয়া যায়। আর এই বার্তাই সবচেয়ে বিপজ্জনক। কারণ এটি শুধু একটি খাতকে নয়, পুরো ব্যবস্থাকেই দুর্বল করে দেয়। যখন জবাবদিহিতা থাকে না, তখন দুর্নীতি আর ব্যতিক্রম থাকে না—তা হয়ে ওঠে নিয়ম।
এই পরিস্থিতিতে আন্দোলনের সীমাবদ্ধতাও স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রতিবাদ প্রয়োজনীয়, কিন্তু যদি তা ধারাবাহিক কাঠামোগত পরিবর্তন আনতে না পারে, তাহলে সেটি কেবল প্রতিক্রিয়ামূলক হয়ে থাকে। হাওরের ক্ষেত্রে ঠিক সেটাই ঘটছে—সমস্যা ঘটার পর প্রতিবাদ, কিন্তু সমস্যা প্রতিরোধের জন্য স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা গড়ে ওঠে না।
এখন প্রশ্ন হলো—এই চক্র থেকে বের হওয়া সম্ভব কীভাবে?
প্রথমত, দুর্নীতির বিরুদ্ধে আন্দোলনকে শুধু মৌসুমি না রেখে ধারাবাহিক ও ফলপ্রসূ করতে হবে। তদন্তের দাবি তুলে থেমে গেলে চলবে না; সেই তদন্তের অগ্রগতি, প্রতিবেদন প্রকাশ এবং শাস্তি বাস্তবায়ন—সবকিছুর ওপর নজরদারি থাকতে হবে।
দ্বিতীয়ত, হাওর ব্যবস্থাপনাকে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির বাইরে এনে একটি প্রাতিষ্ঠানিক, স্বচ্ছ এবং প্রযুক্তিনির্ভর কাঠামোর মধ্যে আনতে হবে। যাতে সরকার পরিবর্তন হলেও নীতির ধারাবাহিকতা বজায় থাকে।
তৃতীয়ত, কৃষকদের কণ্ঠকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অন্তর্ভুক্ত করা জরুরি। যারা সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত, তাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত ছাড়া কোনো পরিকল্পনাই বাস্তবসম্মত হতে পারে না।
সবশেষে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়—জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা। যতদিন পর্যন্ত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িতদের দৃশ্যমান শাস্তি না হবে, ততদিন পর্যন্ত এই চক্র ভাঙা কঠিন।
সুনামগঞ্জের হাওরের গল্প আজ শুধু একটি অঞ্চলের সমস্যা নয়; এটি আমাদের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার একটি প্রতিচ্ছবি। এখানে বারবার দেখা যায়—সমস্যা চিহ্নিত হয়, প্রতিবাদ হয়, প্রতিশ্রুতি আসে, কিন্তু পরিবর্তন আসে না।
আর এই অচলাবস্থার সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয় সেই কৃষককে, যিনি প্রতি বছর নতুন আশা নিয়ে জমিতে নামেন, আর শেষে তাকিয়ে দেখেন—তার স্বপ্ন আবারও পানির নিচে তলিয়ে গেছে।
হাওরের সংকট কতোটা?
সুনামগঞ্জের ১৩৭ টি হাওর—বাংলাদেশের খাদ্যভান্ডারের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ—আজ এক গভীর সংকটের মুখে দাঁড়িয়ে আছে এই হাওরাঞ্চল।
হাওরের বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পগুলো মূলত কৃষকের ফসল রক্ষার জন্য নেওয়া হলেও বাস্তবে এগুলো বহু ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে অনিয়মের কেন্দ্রে। প্রতিবছর বরাদ্দ আসে, কাজের তালিকা তৈরি হয়, কিন্তু মাঠ পর্যায়ে তার প্রতিফলন দেখা যায় না। সময়মতো কাজ শেষ হয় না, অনেক জায়গায় নিম্নমানের মাটি দিয়ে দায়সারা বাঁধ নির্মাণ করা হয়, আবার কোথাও কাগজে-কলমে কাজ দেখিয়ে অর্থ আত্মসাৎ করা হয়। ফলে অকাল বন্যা বা পাহাড়ি ঢল নামলেই এসব বাঁধ টিকতে পারে না—ভেঙে পড়ে, আর সঙ্গে সঙ্গে পানিতে তলিয়ে যায় হাজার হাজার হেক্টর জমির পাকা ধান।
এই পুনরাবৃত্ত দুর্যোগকে আর শুধুমাত্র “প্রাকৃতিক বিপর্যয়” বলে দায় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। বরং এটি স্পষ্টতই একটি মানবসৃষ্ট সংকট, যার পেছনে রয়েছে পরিকল্পনার ভুল, তদারকির অভাব এবং দুর্নীতির গভীর শিকড়। বছরের পর বছর একই সমস্যা চলতে থাকা মানে হলো—সমস্যা সম্পর্কে জানা সত্ত্বেও কার্যকর সমাধান না নেওয়া। তাই এই পরিস্থিতির দায় সরকারকেই নিতে হবে।
কৃষকেরা সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী। তাদের জীবনের একমাত্র ভরসা এই এক মৌসুমের ফসল। ধান তলিয়ে গেলে শুধু একটি মৌসুম নয়, পুরো বছরের খাদ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা ভেঙে পড়ে। অনেকেই ঋণের বোঝা নিয়ে পরবর্তী মৌসুমে প্রবেশ করেন, কেউ কেউ পেশা পরিবর্তন করতে বাধ্য হন। এই বাস্তবতা শুধু অর্থনৈতিক নয়, এটি একটি মানবিক সংকটও।
এখন সময় এসেছে প্রচলিত পদ্ধতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে ভাবার। হাওর অঞ্চলের জন্য একটি টেকসই ও বৈজ্ঞানিক পরিকল্পনা জরুরি।
প্রথমত, বাঁধ নির্মাণে সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে রাজনৈতিক প্রভাব বা ঠিকাদারি সিন্ডিকেট ভেঙে দিয়ে দক্ষ ও নিরপেক্ষ ব্যবস্থাপনা গড়ে তুলতে হবে।
দ্বিতীয়ত, হাওর অঞ্চলের জন্য আলাদা গবেষণা কার্যক্রম চালু করা অত্যন্ত প্রয়োজন। জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব, আগাম বন্যার প্রবণতা, নদী ও পাহাড়ি ঢলের গতিপ্রকৃতি—এসব বিষয়ে গভীর গবেষণা ছাড়া কার্যকর পরিকল্পনা সম্ভব নয়। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে আগাম সতর্কতা ব্যবস্থা (early warning system) আরও উন্নত করতে হবে।
তৃতীয়ত, কৃষকদের সহায়তায় বিকল্প নিরাপত্তা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হবে। যেমন—ফসল বীমা, দ্রুত ক্ষতিপূরণ প্রদান, এবং ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য সহজ শর্তে ঋণ। এতে করে তারা অন্তত সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়বেন না।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—দুর্নীতির বিরুদ্ধে দৃশ্যমান ও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া। শুধু অভিযোগ গঠন নয়, বরং নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করতে হবে এবং তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে। শাস্তি যদি দৃশ্যমান না হয়, তাহলে এই দুর্নীতির চক্র কখনো ভাঙবে না।
সুনামগঞ্জের হাওরের সংকট আজ নতুন নয়, কিন্তু এর সমাধান বারবার পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। এখন আর দেরি করার সুযোগ নেই। কৃষকের ঘাম, শ্রম আর স্বপ্নকে রক্ষা করতে হলে এখনই কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
হাওর বাঁচানো মানে শুধু একটি অঞ্চলকে রক্ষা করা নয়—এটি দেশের খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং লাখো মানুষের জীবনের সঙ্গে সরাসরি জড়িত। তাই দুর্নীতি বন্ধ, সঠিক পরিকল্পনা প্রণয়ন এবং গবেষণাভিত্তিক উন্নয়ন—এই তিনটি পথেই মিলতে পারে স্থায়ী সমাধান।
প্রশাসন ও পাউবোর কর্মকর্তাদের দুর্নীতি এবং কাজে ব্যর্থতাই প্রশ্নবিদ্ধ করে সরকার কে।
সুনামগঞ্জের হাওর অঞ্চলের দীর্ঘদিনের সংকট শুধু প্রাকৃতিক নয়—এটি মূলত প্রশাসনিক দুর্বলতা, কাঠামোগত ত্রুটি এবং দীর্ঘস্থায়ী অনিয়মের ফল। বিশেষ করে পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) কর্মকর্তাদের একই কর্মস্থলে বছরের পর বছর অবস্থান এবং তদারকির দায়িত্বে থাকা প্রশাসনের অজ্ঞতা—এই দুইয়ের সমন্বয় হাওরের কৃষকদের জন্য এক নীরব বিপর্যয় তৈরি করেছে।
হাওরের বাঁধ নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব মূলত পাউবোর ওপর। কিন্তু বাস্তবে দেখা যায়, একই অঞ্চলে বহু বছর ধরে কর্মরত কর্মকর্তাদের একটি স্থায়ী প্রভাববলয় তৈরি হয়ে যায়। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তারা স্থানীয় ঠিকাদার, রাজনৈতিক গোষ্ঠী এবং প্রভাবশালীদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তোলেন। এর ফলে একটি অঘোষিত সিন্ডিকেট তৈরি হয়, যেখানে কাজের মানের চেয়ে ভাগাভাগি ও সুবিধা বিনিময়ই বেশি গুরুত্ব পায়। এই দীর্ঘস্থায়ী অবস্থান দুর্নীতির সুযোগ বাড়ায়, জবাবদিহিতা কমায় এবং নতুন কোনো স্বচ্ছ প্রক্রিয়া চালু হওয়ার পথ রুদ্ধ করে।
একই জায়গায় দীর্ঘদিন দায়িত্ব পালন করলে একটি “স্বার্থের জাল” তৈরি হওয়া অস্বাভাবিক নয়। ফলে প্রকল্পের কাজ ঠিকমতো হচ্ছে কি না, বাঁধ টেকসই হচ্ছে কি না—এসব বিষয় গৌণ হয়ে যায়। বরং লক্ষ্য থাকে কীভাবে প্রকল্প থেকে ব্যক্তিগত সুবিধা নেওয়া যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ে হাওরের বাঁধের গুণগত মানে, যা শেষ পর্যন্ত ভেঙে পড়ে প্রথম দফার পাহাড়ি ঢলেই।
অন্যদিকে, তদারকির দায়িত্বে থাকা জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) প্রায়ই হাওর অঞ্চলের বাস্তবতা সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞান ছাড়াই দায়িত্ব পালন করেন। প্রশাসনিক দক্ষতা থাকলেও হাওরের বিশেষ ভূপ্রকৃতি, পানির প্রবাহ, মৌসুমি আচরণ এবং স্থানীয় ঝুঁকির ধরন সম্পর্কে তাদের অভিজ্ঞতা সীমিত থাকে। ফলে তারা অনেক সময় কাগজে-কলমে সিদ্ধান্ত নেন, যা মাঠের বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় না।
হাওরের মতো সংবেদনশীল অঞ্চলে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য শুধু প্রশাসনিক জ্ঞান যথেষ্ট নয়—প্রয়োজন স্থানীয় বাস্তবতা, পরিবেশগত ঝুঁকি এবং কৃষি ব্যবস্থার গভীর বোঝাপড়া। কিন্তু যখন এই বোঝাপড়া অনুপস্থিত থাকে, তখন ভুল পরিকল্পনা, দেরিতে সিদ্ধান্ত এবং অকার্যকর তদারকি—সব মিলিয়ে একটি ভঙ্গুর ব্যবস্থা তৈরি হয়।
এই দুই সমস্যার সম্মিলিত প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ে কৃষকের ওপর। তারা বছরের পর বছর একই চক্রে আটকে থাকেন—বাঁধ নির্মাণে অনিয়ম, অকাল বন্যায় ফসলহানি, ক্ষতিপূরণের অনিশ্চয়তা, এবং আবার নতুন করে ঋণ নিয়ে চাষ শুরু। এই পুনরাবৃত্তি তাদের শুধু আর্থিকভাবে নয়, মানসিকভাবেও বিপর্যস্ত করে তোলে।
এখন সময় এসেছে এই কাঠামোগত সমস্যাগুলোর দিকে সরাসরি নজর দেওয়ার।
প্রথমত, পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময় পরপর বদলি (rotation) নিশ্চিত করতে হবে, যাতে একই এলাকায় দীর্ঘদিন অবস্থান করে কোনো প্রভাববলয় তৈরি করতে না পারেন।
দ্বিতীয়ত, হাওর অঞ্চলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ডিসি ও ইউএনওদের জন্য বিশেষ প্রশিক্ষণ চালু করা জরুরি। তাদেরকে হাওরের প্রকৃতি, ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং কৃষি বাস্তবতা সম্পর্কে বাস্তবভিত্তিক ধারণা দিতে হবে।
তৃতীয়ত, তদারকি ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হবে। স্থানীয় জনগণ, কৃষক প্রতিনিধি এবং স্বাধীন পর্যবেক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করে একটি বহুমাত্রিক নজরদারি ব্যবস্থা গড়ে তোলা যেতে পারে।
সবশেষে, জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা ছাড়া এই সমস্যার কোনো স্থায়ী সমাধান সম্ভব নয়। ভুল সিদ্ধান্ত বা দুর্নীতির কারণে ফসলহানি হলে তার দায় নির্ধারণ করতে হবে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
সুনামগঞ্জের হাওর শুধু একটি ভৌগোলিক অঞ্চল নয়—এটি লাখো মানুষের জীবিকার ভিত্তি। এই অঞ্চলের সমস্যা সমাধান করতে হলে প্রশাসনিক সংস্কার, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান—এই তিনটি বিষয়কে একসঙ্গে এগিয়ে নিতে হবে। নইলে কৃষকের দুর্ভোগের এই চক্র থামানো যাবে না।
[লেখক- মো. আমিনুল ইসলাম, গণমাধ্যমকর্মী।]