সুনামগঞ্জ শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬ ইংরেজি | ২০ আষাঢ় ১৪৩৩ বাংলা | ১৯ মুহাররম ১৪৪৮ হিজরি
Ad
আজকের CSI News - সি এস আই নিউজ সংবাদ
সি এস আই নিউজ
প্রকাশ : ৭ মে ২০২৬ ইং
অনলাইন সংস্করণ

বাংলাদেশে কমছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা , কমছে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা

বাংলাদেশে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বহু বছর ধরেই প্রশ্ন রয়েছে। একসময় টেলিভিশন সাংবাদিকতায় নতুন ধারার প্রতীক হিসেবে পরিচিত ছিল CSB News। কিন্তু হঠাৎ করেই সেই চ্যানেল বন্ধ হয়ে যাওয়ার ঘটনা শুধু একটি প্রতিষ্ঠানের সমাপ্তি ছিল না, বরং এটি বাংলাদেশের গণমাধ্যমের উপর ক্ষমতার অদৃশ্য চাপ ও নিয়ন্ত্রণের প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। এরপর থেকে channel one, আমার দেশ, ইসলামিক টিভি, দিগন্ত টেলিভিশনসহ বহু গণমাধ্যম  বন্ধ করে দেয়ার ঘটনা আমরা দেখেছি। এই দেশের জাতিয় টেলিভিশন বিটিভি কে ব্যবহার করা হচ্ছে শুধুমাত্র  সরকারের কার্যক্রমগুলোর প্রচার মাধ্যম হিসেবে। অথচ এই প্রতিষ্ঠানে বহু সংখ্যক সাংবাদিক কাজ করছেন। তাদের ইচ্ছে অনুযায়ি দেশের কোনো সমস্যা ও জনগনের দুর্ভোগ,  সংঘর্ষ - সাধারণ মানুষের মুক্তমত তারা অনেকাংশেই প্রচার করতে আমরা দেখিনা। অথচ রাষ্ট্রিয় একটি টেলিভিশন হিসেবে এখানেই সকল বড় সমস্যাগুলো নিয়ে প্রভাবশালী সাংবাদিকতা হওয়ার কথা। 
পজেটিভ সাংবাদিকতার তাবিজ গলায় ঝুলিয়ে দিয়ে বাতাবি লেবুর বাম্পার ফলন ও বরই চাষ- লাউ চাষ দেখিয়ে রাষ্ট্রিয় টেলিভিশনের সাংবাদিকতাকে "লাউ সাংবাদিকতা" বানিয়ে দিতে বাধ্য করা হয়েছে।

সাংবাদিকতা কে ক্ষমতাসীনদের ইচ্ছেমতো চালানোর চেষ্টা বাংলাদেশে  বারবার দেখা গেছে, ক্ষমতার পালাবদল হলেও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি বদলায়নি; বরং আরও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ পেয়েছে।
বাংলাদেশে মুক্ত গণমাধ্যম এখন অনেকাংশেই কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ। বাস্তবে সংবাদমাধ্যমের বড় একটি অংশ রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থগোষ্ঠীর প্রভাবের মধ্যে পরিচালিত হয়। ক্ষমতাসীনদের অনুকূলে থাকা গোষ্ঠীগুলো সহজেই নতুন টেলিভিশন, পত্রিকা কিংবা অনলাইন মাধ্যমের অনুমোদন পায়, অন্যদিকে সমালোচনামূলক বা অপছন্দের গণমাধ্যমকে নানাভাবে চাপে রাখা হয়—কখনও বিজ্ঞাপন বন্ধ করে, কখনও মামলার ভয় দেখিয়ে, আবার কখনও সরাসরি সম্প্রচার বন্ধ করে দিয়ে।

এই পরিস্থিতিতে সবচেয়ে অসহায় হয়ে পড়েন প্রকৃত সাংবাদিকরা। একজন সাংবাদিক যখন সত্য প্রকাশ করতে চান, তখন তাকে শুধু রাজনৈতিক চাপ নয়, নিজের চাকরি হারানোর ভয়ও মোকাবিলা করতে হয়। অনেক সম্পাদক বা মালিকপক্ষ সরাসরি বলে দেন কোন সংবাদ প্রচার করা যাবে আর কোনটি যাবে না। ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা “সেলফ সেন্সরশিপ” এখন বাংলাদেশের সাংবাদিকতার এক ভয়াবহ বাস্তবতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। সত্য জানা সত্ত্বেও অনেক সাংবাদিক নীরব থাকেন, কারণ প্রতিবাদ করলে চাকরি, নিরাপত্তা এমনকি ব্যক্তিগত স্বাধীনতাও ঝুঁকির মুখে পড়ে। আমি নিজেও যমুনা টেলিভিশনে থাকাকালীন সময়ে সরকারের একটি প্রকল্পে ব্যপক দুর্নীতির একটি রিপোর্ট করায় আমাকে তুলে নিয়ে গিয়েছিলো ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের চপল বাহিনির সদস্যরা।

দুঃখজনক হলেও সত্য, এই পরিস্থিতির জন্য কেবল রাষ্ট্র বা ক্ষমতাসীনদের দায় দিলেই পুরো সত্য বলা হয় না। সাংবাদিক সমাজের ভেতরেও কিছু তথাকথিত “সাংবাদিক নেতা” আছেন, যারা সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার বদলে ক্ষমতার কাছাকাছি থাকতে বেশি আগ্রহী। তারা অনেক সময় নির্যাতিত সাংবাদিকদের পাশে না দাঁড়িয়ে উল্টো সুবিধাবাদী অবস্থান নেন। ফলে সাংবাদিক সমাজের ভেতরেও বিভাজন তৈরি হয়েছে, এবং স্বাধীন সাংবাদিকতা আরও দুর্বল হয়ে পড়েছে।

বাংলাদেশে বিচারহীনতার সংস্কৃতিও এই সংকটকে গভীর করেছে। সাংবাদিক নির্যাতন, হামলা, মামলা কিংবা গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার মতো ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়ায় ক্ষমতাবানরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। যখন অন্যায়ের কোনো জবাবদিহি থাকে না, তখন সত্য বলার মানুষও ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।
একটি রাষ্ট্রে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকদের বিষয় নয়; এটি জনগণের জানার অধিকার ও গণতন্ত্রের প্রশ্ন। গণমাধ্যম যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারে, তাহলে দুর্নীতি, অনিয়ম ও ক্ষমতার অপব্যবহার আরও বাড়বে। তাই প্রয়োজন এমন একটি পরিবেশ, যেখানে সংবাদমাধ্যম দলীয় বা গোষ্ঠীগত নিয়ন্ত্রণের বাইরে থেকে সত্য প্রকাশ করতে পারবে, সাংবাদিকরা ভয়হীনভাবে কাজ করতে পারবেন, এবং ভিন্নমতকে রাষ্ট্রের শত্রু নয় বরং গণতন্ত্রের শক্তি হিসেবে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি।

বাংলাদেশের গণমাধ্যমকে বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় দেশে অসংখ্য পত্রিকা, টেলিভিশন ও অনলাইন সংবাদমাধ্যম রয়েছে, যেন মতপ্রকাশের স্বাধীনতার এক বিশাল ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভিন্ন। এখানে অধিকাংশ গণমাধ্যমের স্বাধীনতা সীমাবদ্ধ ক্ষমতার অদৃশ্য দেয়ালের মধ্যে। সরকার, প্রভাবশালী ব্যবসায়ী গোষ্ঠী, রাজনৈতিক স্বার্থ এবং মালিকপক্ষের চাপ—সব মিলিয়ে এমন এক পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে সত্য প্রকাশ করা প্রায়ই বিপজ্জনক হয়ে ওঠে।

বাংলাদেশের বড় বড় পত্রিকা ও টেলিভিশনগুলো প্রায়ই সরকারের উন্নয়ন, সাফল্য কিংবা ইতিবাচক দিক নিয়ে “তৈলাক্ত” সংবাদ প্রকাশ করে। কিন্তু রাষ্ট্রীয় বড় দুর্নীতি, ক্ষমতাবানদের অনিয়ম, লুটপাট, ব্যাংক কেলেঙ্কারি কিংবা রাজনৈতিক অপব্যবহারের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক ও সাহসী অনুসন্ধানী প্রতিবেদন খুব কমই দেখা যায়। কারণ এর পেছনে রয়েছে ভয়—প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যাওয়ার ভয়, লাইসেন্স বাতিল হওয়ার ভয়, বিজ্ঞাপন বন্ধ হওয়ার ভয়, কিংবা সাংবাদিকদের চাকরি হারানোর ভয়।
অনেক গণমাধ্যম মালিকই সরাসরি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত অথবা সরকারের সঙ্গে ব্যবসায়িক সম্পর্কের কারণে নিরপেক্ষ অবস্থান নিতে পারেন না। ফলে সংবাদকক্ষের স্বাধীনতা অনেক ক্ষেত্রেই মালিকপক্ষের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্বার্থের কাছে বন্দি হয়ে পড়ে।

 অনেক সময় সম্পাদক বা উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা বুঝিয়ে দেন কোন সংবাদ প্রচার করতে হবে, আর কোন সংবাদ “এড়িয়ে যেতে হবে”। সাংবাদিকরা তখন সত্য জানলেও প্রকাশ করতে পারেন না। কারণ তারা জানেন, অতিরিক্ত সত্য বলা চাকরি হারানোর কারণ হতে পারে।

বাংলাদেশে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সবসময়ই ঝুঁকিপূর্ণ। একজন সাংবাদিক যখন দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার বা অপরাধচক্র নিয়ে অনুসন্ধান করতে যান, তখন তাকে শুধু পেশাগত বাধাই নয়, ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ঝুঁকিও নিতে হয়। নানা ধরনের হুমকি, নজরদারি, মামলা কিংবা অদৃশ্য চাপ তার পিছু নেয়। অনেক সাংবাদিককে সরাসরি কিংবা পরোক্ষভাবে বুঝিয়ে দেওয়া হয়—“বেশি দূর যেও না”। এই ভয়কে আরও গভীর করেছে সাংবাদিক হত্যার বিচারহীনতা।

সাংবাদিক সাগর- রুনী হত্যাকান্ড বাংলাদেশের সাংবাদিক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ প্রতীক হয়ে আছে। বছরের পর বছর পার হলেও সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার সম্পূর্ণ হয়নি। এই ঘটনা শুধু দুটি প্রাণের হত্যাই নয়, এটি ছিল বাংলাদেশি সাংবাদিকতার নিরাপত্তাবোধের ওপর এক নির্মম আঘাত। যখন সাংবাদিকরা দেখেন যে আলোচিত হত্যাকাণ্ডেরও বিচার হয় না, তখন স্বাভাবিকভাবেই তারা বুঝতে পারেন—ক্ষমতার বিরুদ্ধে দাঁড়ালে তাদের নিরাপত্তার নিশ্চয়তা নেই। ফলে আত্মনিয়ন্ত্রণ বা “সেলফ সেন্সরশিপ” দিন দিন আরও বেড়ে যায়।

বাংলাদেশের ইতিহাসে বহু গণমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়ার নজির রয়েছে। বিভিন্ন সময় সরকার পরিবর্তন হয়েছে, কিন্তু গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের সংস্কৃতি পুরোপুরি বদলায়নি। যে দল ক্ষমতায় এসেছে, তারা নিজেদের অনুগত মিডিয়া গড়ে তুলেছে এবং সমালোচনামূলক কণ্ঠগুলোকে চাপে রেখেছে। কখনও লাইসেন্স বাতিল, কখনও সম্প্রচার বন্ধ, কখনও মামলা, কখনও কর বা প্রশাসনিক চাপ বিভিন্ন কৌশলে অপছন্দের গণমাধ্যমকে দুর্বল করা হয়েছে। ফলে দেশে এমন এক সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে যেখানে গণমাধ্যমের টিকে থাকা অনেক সময় সত্য বলার চেয়ে ক্ষমতার সঙ্গে সম্পর্কের ওপর নির্ভর করে।

কিন্তু সবচেয়ে হতাশার জায়গা হলো সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষার দায়িত্বে থাকা সংগঠনগুলোও অনেক ক্ষেত্রে শক্ত অবস্থান নিতে ব্যর্থ হয়েছে। দেশে সাংবাদিক ইউনিয়ন, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন সংগঠন থাকলেও অধিকাংশ সময় তাদের কার্যক্রম নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। সাংবাদিকদের নিরাপত্তা, স্বাধীনতা কিংবা পেশাগত অধিকার নিয়ে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের চেয়ে নেতৃত্বের চেয়ার দখল, দলীয় বিভাজন এবং ক্ষমতার কাছাকাছি থাকার প্রতিযোগিতা বেশি দৃশ্যমান হয়েছে।

অনেক সংগঠন সরকারের অন্যায় সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিতে পারেনি। বরং কোনো কোনো ক্ষেত্রে তারা নীরব থেকেছে, আবার কখনও সুবিধাবাদী অবস্থান নিয়েছে। যখন কোনো সাংবাদিক নির্যাতনের শিকার হন, মামলা খান বা চাকরি হারান, তখন সংগঠনগুলোর প্রতিবাদ অনেক সময় আনুষ্ঠানিক বিবৃতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। বাস্তব প্রতিরোধ, গণআন্দোলন কিংবা শক্ত অবস্থান খুব কমই দেখা যায়। এর ফলে সাধারণ সাংবাদিকদের মধ্যেও হতাশা তৈরি হয়েছে। তারা মনে করেন, যেসব সংগঠন তাদের অধিকার রক্ষার কথা, সেগুলোও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত নয়।
এই সংকটের সবচেয়ে বড় ক্ষতি হচ্ছে জনগণের।

স্বাধীন গণমাধ্যম দুর্বল হয়ে গেলে সাধারণ মানুষ সত্য জানার সুযোগ হারায়। দুর্নীতি, অনিয়ম, ক্ষমতার অপব্যবহার তখন আরও সহজ হয়ে যায়। রাষ্ট্রের জবাবদিহিতা কমে যায়, আর গণতন্ত্র ধীরে ধীরে কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ হয়ে পড়ে।
একটি সুস্থ রাষ্ট্রব্যবস্থার জন্য প্রয়োজন ভয়হীন সাংবাদিকতা। প্রয়োজন এমন গণমাধ্যম, যারা সরকারের প্রশংসা যেমন করবে, তেমনি অন্যায়-দুর্নীতির বিরুদ্ধেও সমান সাহস নিয়ে দাঁড়াবে। প্রয়োজন এমন সাংবাদিক সংগঠন, যারা দলীয় আনুগত্যের বাইরে গিয়ে সাংবাদিকদের স্বার্থ ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হবে। কারণ সত্যকে নিয়ন্ত্রণ করে হয়তো কিছু সময় ক্ষমতা টিকিয়ে রাখা যায়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয় পুরো সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা।
তাই বাংলাদেশের গণমাধ্যম কে আরও স্বাধীন করতে সরকারকেই ব্যবস্থা নিতে হবে। স্বাধীনতা মানে এই না যে আরও ১০ টা টেলিভিশন কে লাইসেন্স দেয়া। স্বাধীন গণমাধ্যম মানে একটি টেলিভিশন বা পত্রিকাতে আগামীকাল ক্ষমতাসীন দলের সরকার প্রধান বা তার গুরুত্বপূর্ণ কোনো মন্ত্রীর  বিরুদ্ধে কোনো দুর্নীতির সুস্পষ্ট অভিযোগের প্রমাণ হাতে  থাকলে তা প্রচারে কোনো বাধা না দেয়া। এবং এটি প্রচারে উৎসাহ দেয়া। এতে সরকারের গঠনমুলক সমালোচনা হবে। বন্ধ হবে দুর্নীতি- অন্যায়- অবিচার। এটি নিশ্চিত করাই হোক সরকারের বড় দায়িত্ব। 
গেলো বছরগুলোতে এই স্বাধীন সাংবাদিকতা করতে পারেনি অনেক প্রতিষ্ঠান। বহু সাংবাদিককে শারিরিক- মানসিক সীমাহীন নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছে। চাকরি হারিয়েছেন বহু সাংবাদিক।  মৃত্যুবরণ করেছেন অনেকে। গুমের শিকার হয়েছেন অনেক। এই ভীতিকর পরিস্থিতিতে বছরে বছরে কমছে বাংলাদেশী সাংবাদিকদের স্বাধীনতা। কমেছে রাষ্ট্রের জবাবদিহিতাও। এ অবস্থা থেকে বেড়িয়ে আসাই এখন বাংলাদেশ ও সাংবাদিকতার জন্য মঙ্গল। 

[লেখক- মো. আমিনুল ইসলাম,  গণমাধ্যমকর্মী।]

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়

দক্ষতাসম্পন্ন শিক্ষক সূচকে দক্ষিণ এশিয়ায় সর্বনিম্ন বাংলাদেশ

1

মেসিকে টপকে রেকর্ডবুকে নাম লেখালেন নয়্যার

2

বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণে বাধা, বিক্ষোভ ভার

3

স্পোর্টস ও ইভি গাড়ি প্রদর্শনীতে প্রধানমন্ত্রী

4

শান্ত-মুমিনুলের জুটিতে স্বস্তি বাংলাদেশ শিবিরে

5

সাতক্ষীরায় বাবার বাড়ি থেকে কিশোরী গৃহবধূর লাশ উদ্ধার

6

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব বিরোধের জেরে দুইপক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১০

7

বাংলাদেশে কমছে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা , কমছে রাষ্ট্রের জবাবদিহ

8

রোগীর স্বজনের কাছে টিকার টাকা দাবি, সেই নার্সকে অব্যাহতি

9

হাম ও হামের উপসর্গে ৫ জনের মৃত্যু

10

ফরিদপুর কারাগারে এক হাজতির মৃত্যু

11

শিল্পী সমিতি নির্বাচনে মুক্তির পক্ষে সমর্থন ওমর সানীর

12

শরীয়তপুরে তেলের ঘাটতি: ব্যাহত সেচ, পাম্প ঘেরাও করে কৃষকদের ব

13

চাঁপাইনবাবগঞ্জের ঐতিহ্য আর ফুটবল নিয়ে এবারের ‘ইত্যাদি’

14

আপনারা তো চোখ দিয়েই রেপ করে দেন, বিজেপিকে রূপাঞ্জনা

15

‘বাবা, তোমার স্বপ্ন পূরণের দায়িত্ব নিলাম’— মৃত্যুবার্ষিকীতে

16

বিশ্বকাপ অনিশ্চিত আরও এক ব্রাজিলিয়ানের

17

ছয় মাসের মধ্যে নির্বাচন এক কথায় অবাস্তব এবং অসম্ভব: সারজিস আ

18

গরু চোর সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা, যা বললেন জামায়াত আমির

19

ধানের সরকারি দাম ১৪৪০, খলা থেকেই ব্যাপারীরা কিনে নিচ্ছেন ৭০০

20