আবারও সেই প্রথম ইনিংসের পুনরাবৃত্তি। দুই ওপেনার অল্প রানে ফিরে গেলেন। এরপর নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুমিনুলের ব্যাটে বাংলাদেশ কিছুটা স্বস্তিতে ফিরল। প্রথম ইনিংসের পর দ্বিতীয় ইনিংসেও একই দৃশ্যের অবতারণা ঘটল। মধ্যাহ্ন বিরতিতে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের সংগ্রহ ২ উইকেটে ৯৩ রান।
প্রথম ইনিংসে ২৭ রানের লিড পেয়েছিল স্বাগতিকরা। এখন সব মিলিয়ে বাংলাদেশ এখন পাকিস্তানের চেয়ে ১২০ রানে এগিয়ে। এই সেশনে ১৯.১ ওভারে ২ উইকেট হারিয়ে ৮৬ রান তুলেছে বাংলাদেশ।
দিনের শুরুটা মোটেও ভালো যায়নি। মাত্র ২৩ রানের মধ্যে দুই ওপেনারকে হারায় বাংলাদেশ। মাহমুদুল হাসান আব্বাসের বলে এলবিডব্লিউ হন ৫ রান করে। এরপর সাদমান ইসলাম হাসান আলীর বলে সামনে পা বাড়িয়ে খেলতে গেলে বল ব্যাট ছুঁয়ে গালিতে থাকা সৌদ শাকিলের হাতে যায়। ২২ বলে ১০ রান করে ফেরেন সাদমান।
দুই উইকেট পড়ার পর মাঠে নামেন মুমিনুল হক ও নাজমুল হোসেন। এই দুজন প্রথম ইনিংসেও ৩১ রানে দুই উইকেট পড়ার পর ১৭০ রানের জুটি গড়েছিলেন। দ্বিতীয় ইনিংসেও তারা একই কাজ করেছেন। লাঞ্চ পর্যন্ত দুজন অবিচ্ছিন্নভাবে ৭০ রান যোগ করেছেন। মুমিনুল ৮২ বলে ৩৭ ও নাজমুল ৫৭ বলে ৩৪ রানে অপরাজিত আছেন।
এখন সবার মনে প্রশ্ন, পাকিস্তানকে কত রানের লক্ষ্য দিলে নিরাপদ থাকবে বাংলাদেশ? মেহেদী হাসান মিরাজ আগেই তিন শ রানের কথা বলেছিলেন। পরিসংখ্যানও সেই ইঙ্গিত দেয়। মিরপুরে চতুর্থ ইনিংসে ২০৯ রানের বেশি এখন পর্যন্ত কেউ তাড়া করতে পারেনি। ২০১০ সালে ওই রান তাড়া করে জিতেছিল ইংল্যান্ড। সর্বশেষ তিন টেস্টে এই মাঠে চতুর্থ ইনিংসে আয়ারল্যান্ড ১৩৮, নিউজিল্যান্ড ১৩৯ ও দক্ষিণ আফ্রিকা ১০৯ রান করে জয় পেয়েছিল।