নেত্রকোণায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।
শিশুটি বর্তমানে প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযুক্তের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেছে। নেত্রকোণার মদন উপজেলার পাছহার গ্রামে ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসার ১২ বছরের ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হয়েছে প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে। ২০২৫ সালের নভেম্বর মাসে ঘটনাটি ঘটে। দীর্ঘদিন ভয়ভীতি, লজ্জা ও চাপে বিষয়টি চাপা থাকলেও বর্তমানে শিশুটি ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়ায় ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে।ভুক্তভোগী শিশুর মা সিলেটে পরিচারিকার কাজের জন্য থাকতেন, তাই শিশুটি নানার বাড়িতে থেকেই পড়াশোনা করত। কিন্তু হঠাৎ মেয়েটির শারীরিক পরিবর্তন চোখে পড়লে মায়ের সন্দেহে মেয়েকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে শিশুটি মাদরাসা শিক্ষক সাগরের কথা বলে। মদনের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পরীক্ষা করালে নিশ্চিত হওয়া যায় শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্তা বলেও জানান ভুক্তভোগী শিশুর মা।
এদিকে অভিযোগের পর থেকেই মাদরাসা শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগর ও তার স্ত্রী ঐ কওমী মাদ্রাসার পরিচালক পলাতক রয়েছেন। গত প্রায় এক মাস ধরে মাদরাসাটিও বন্ধ রয়েছে। অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়েও কাউকে পাওয়া যায়নি ।এ ঘটনায় মামলা গ্রহণ করা হয়েছে এবং অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানিয়েছেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।